ক বি আ ব দু স শু কু র খা ন
আবদুস শুকুর খান
উল্লেখ্য কাব্যগ্রন্থ:-জীবনের অসমাপ্ত কবিতা,নব জন্মে ফিরি মৃত্যুর বিষাদে, নৈঃশব্দ্যের স্বর , সম্পর্কহীনতায় দাঁড়িয়ে,কবির ঘরে কেউ আসে না, সুন্দর আছে চির সুন্দরে,প্রেম পদাবলী, সময়ের যতি চিহ্ন ভেঙে,ভাবো হে হন্তারক ভাবো, হাত বাড়িয়ে দাও, বেজে ওঠে মায়াবী গিটার, যা বলা হলো না,ইত্যাদি
উপন্যাস:- শিকড়ের ঘ্রাণ,অচেনা সম্পর্ক, আত্মজা,(বাংলাদেশ)।ভালোবাসার ঘরবাড়ি, মানুষ রতন,অবগুন্ঠিতা। বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত:-জলপরি,কোকিলের ডাক, রাত বারোটার ঘণ্টা,দূরের স্বজন,কাচের পৃথিবী ইত্যাদি
গল্পগ্রন্থ:-পল্লী প্রেমের কাহিনী,দেবশিশু।সংকলন:-দুই বাংলার প্রেমের কবিতা।
কাঠের মা
শুধু চাঁদ, চাঁদের মতো অহংকারি তার মুখ ভাসে
স্বপ্নে,ঘুমে,সাদা জ্যোৎস্নায়, ইজিচেয়ারে বইয়ের পাতায়।
খোলা বারান্দায় দড়ির দোলনা দুলিয়ে দোল খাই
কোথা থেকে আঁচলের হাওয়া আসে,সুন্দরের স্নেহ আসে
চিবুকে হাত আসে,স্পর্শ পাই—
দুধের বাটিতে দুধ নিয়ে শিয়রে দাঁড়িয়ে মা আমার।
এই দেশ,মহাদেশ থেকে তুমি কোথায় চলে গেলে?
সাদা পোষাকে শরীর মুড়ে শান্ত পরিটির মতো
অন্য আর কোনো সন্তানের দেশে—
কাঠের ফ্রেমের ভিতর পাথরের রমণী হয়ে বসে আছো দেওয়ালে
আমি তাতে ফুল দিই,সাজাই,ঘুম পাহাড় ডিঙিয়ে
ছুঁয়ে আসি কবর, শুধু দুঃখে, অনুতাপে
কাঁচা মাটির উপরে সান্ত্বনার অশ্রু দিতে ভুলে যাই।
শব্দের আলোয়ান
তোমাকে তিলমাত্র স্পর্শ করে না আমার মগ্নতা
আমার উচ্চারিত-অনুচ্চারিত কথা
পাথর-চাপা আলোর মতোই উহ্য, তবুও
কী অনায়াসে আমি
তোমার নৈঃশব্দ্যে বুনে যাচ্ছি শব্দের আলোয়ান।
আমার শূন্যতায় তুমি
নক্ষত্রের মতো জেগে থাক সারারাত।

Comments
Post a Comment