ক বি নি মা ই জা না
নিমাই জানা
রুইনান,সবং,পশ্চিম মেদিনীপুর, ৭২১১৪৪।প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:- ছায়ার মূলরোম ,নির্জন পুরুষ অসুখ,জিরো কম্পাঙ্কের পেন্ডুলাম, ঈশ্বর ও ফারেনহাইট জ্বরের ঘোড়া,রজস্বলা বৃষ্টির গুণিতক সংখ্যা গুলো,ইছামতি ঈশ্বরী ও লাল আগুনের ডিম্বকোষ।
দুটি কবিতায়
কবি নিমাই জানা
লাল ভার্গবের শৈলোৎক্ষেপ ও কামধেনুর পিরামিড
নীল শিরদাঁড়ার কাছে দাঁড়িয়ে শুকদেব গোস্বামী চতুর্থ বৈবসত্ব মন্বন্তর কালের জরায়ুজ বৈতরণী পেরিয়ে যাচ্ছেন চতুর্দশ কামধেনু সমগ্র নিয়ে ,
ডেক্সোমিথাসন আয়ু একটি নীল গাছের প্রতিবিম্বের মতো , আমি ধারালো অস্ত্রাগারের ভেতর ঢুকে ধূসর অপরাজিতার মতো জিভটিকে ছিঁড়ে মৈথুন দন্ডের ওপর জড়িয়ে রাখি অদৃশ্য শৈলোৎক্ষেপ ভার্গব জন্মের জন্য
এক পূর্ন দুইয়ের তিন ভগ্নাংশের মতো কোনো অবায়বীয়েরা আসবাবপত্রের ভেতরে থাকা বাদামি বর্ণের খোলস পরিহিত দারুচিনি সুগন্ধির নীল অগ্নি শাখাময় ঈশ্বরীদের সাথে তরুক্ষীর প্রদেশ থেকে ফিরে আসে চতুর্দশ আলোকবর্ষের মিথিলা খন্ড নিয়ে
আমাদের মুখ গহ্বরের লালাময় ধনাত্মক পাখিগুলো অ্যালকোহলিক সমুদ্র ঘরের ভেতর স্নান করছে , একটা নিষিদ্ধ অ্যাট্রোপিন চোখের কাছে সর্পিলাকার চোখগুলো লাল টগর ফুলের কাছে আর্সেনিক বৃষ্টি গলায় ঢেলে নেবে তৃতীয়বারের জন্য
নীল ইছামতি পাখির কাছে বসে থাকা শিথিল অন্তঃস্থ বর্ণের পাখিটিকে তৃণভোজী দাঁতওয়ালা কাগজ ফুলের কাছে নিয়ে যাই বারবার , আমার একটি নপুংসক রংয়ের নাভি বিন্দু আছে ,
সাদা জবার মতো লাল সমাক্ষরেখায় গড়ে ওঠা শ্বেত গ্রন্থি থেকে জিবের স্বাদকোরক ম্যাগনোলিয়া ফুলের আবৃত পাখিরাই আরো একবার স্নায়ু গ্ৰন্থি রেখে গেল মেহগনি গাছের গোড়ায়
আমি শিবালিক মায়ের লাল জরায়ু খন্ড জমিয়ে রেখেছি ব্রহ্মপুত্র নদের জন্য , √ ২২ দৈর্ঘ্যের বৃহদন্ত্রটিকে মৃত জননতন্ত্রের মতো মনে হলেই আমি একাকী গরুড়াসনে বসে থাকি আনন্দময়
রজস্বলা বৃষ্টির সব পাখিগুলোই সামতলিক আঁকছে বিষাক্ত গ্রাফাইট দিয়ে
তিন এমএল জেলসিমিয়াম ও ত্রিভুজ রংয়ের বাবা
তিন এমএল জেলসিমিয়াম গাছের কাছে দাঁড়ানো মেগাস্থিনিস পুরুষেরাই রাতের চন্দ্রগুপ্তের অদৃশ্য চাঁদ খন্ড নিয়ে ভঙ্গিল যজাতি ঘাটে বসে আছে আরো একবার বৃশ্চিকময় অগ্নিফলক জ্বালানোর জন্য
নাভি বিন্দুর মতো আর কোন অযৌনপুরুষ নেই যে মধ্যরাতে উঠে সারা আকাশগঙ্গার উপর নীল চাষাবাদ সেরে আসে মধ্য প্রহরের শেষে , ত্রিভুজ বাবা বক্ররেখা এঁকে দিচ্ছে আমার নমনীয় শিরদাঁড়ার উপর
পাললিক হয়ে যাওয়ার পর সকলে গলিত , পচন আর সংক্রমন জনিত চোখের ভেতরে যে ধবধবে লাল ক্ষতমুখটি নিয়ে অভয়ারণ্যে নেমে যায় কোন মাংসাশী পুরুষ মানুষকে ভক্ষণের জন্য তার গলার কাছে ধাতব লৌহ ফলক জমিয়ে রেখেছে তৃতীয় পরজন্মের জন্য
আমাদের তখন কৌরব বংশীয় কারাগারের ভেতর অদৃশ্য এক একটা সূর্য পুত্রেরা তৃতীয়বার মুখগহ্বর থেকে জন্ম দেবে কোন অবৈধ নর্তক সন্তানকে
নাভি ভেদ করে বেরিয়ে আসা এক একটা স্ত্রীলিঙ্গের মতো অধাতব পুরুষ রাতের জরায়ুজ অসুখ গুলোকে জিভের তলদেশে গেঁথে রাখে মৎস্যগন্ধা পুরুষদের মতো
কোনো অনিরাময় যোগ্য ঔষধি বৃক্ষের তলায় আমরা উপুড় বসে আছি কাশ্যপের মতো, অমরাবতীর পাড়ে একদল সন্ন্যাসিনী পিচ্ছিল বীজটিকে নিয়ে ১৩ হাজার ৫৭৫ বিঘত দৈর্ঘ্যের যোজন চিহ্নে গোকুল রাষ্ট্র খুঁজে বেড়ায়
আমি ১৩ টি আঙুল দিয়ে আমার শিরস্ত্রাণ ছিঁড়ে ফেলেছি
প্রিজমেটিক মন্দিরের তলায় যে পুরোহিত সারারাত নবগ্রহ মন্দির রচনা করে তার সারা শরীরে অযোগবর্ণ রঙের নং তৎপুরুষ নির্বীষ সাপেরা চিরহরিতের মতো ঝুলে আছে


Comments
Post a Comment